রিয়াদ-তামিমদের হারিয়ে ঘুরে দাঁড়াল মিরাজের চট্টগ্রাম

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ-তামিমদের মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার বিপক্ষে জিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। নাসুম-শরিফুল ইসলামদের কল্যাণে চট্টগ্রামের জয় ৩০ রানে। মিরাজদের দেওয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শেষ পর্যন্ত ১৩১ রান করতে সক্ষম হয় ঢাকা।

0 9,913

খুলনার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের মতো এ ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন ড্যাশিং ওপেনারখ্যাত তামিম ইকবাল। তবে ৪৫ বলে তার ৫২ রানের ইনিংসটি সমালোচনারও শিকার হচ্ছে। কারণ শেষ দিকে তা চাপ ফেলে দেয় ঢাকার ইনিংসে। সমালোচকরা বলছেন, তামিমের ব্যাট থেকে আর কিছু রান আসলে ঢাকা বরং জিতেই যেতে পারত। আগের ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে তামিম করেছিলেন ৫০ রান।

ঢাকার হয়ে শেষ দিকে ইসুরু উদানা ও শুভাগত হোম জয়ের চেষ্টা চালালেও তা আর সম্ভব হয়নি। উদানা ৯ বলে ১৬ ও হোম ১৪ বলে ১৩ রান করেন। চট্টগ্রামের হয়ে ৪ ওভারে ৯ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ। সমানসংখ্যাক ওভারে ৩৪ রানের বিনিময়ে শরিফুল শিকার করেন ৪ উইকেট।

শুরুতে ব্যাট করে ১৬১ রান করে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দলটি প্রথম উইকেট হারায় দলীয় ৬ রানে। কেনার লুইসকে নিয়ে বাংলাদেশিদের মধ্যে তুমুল আগ্রহ থাকলেও প্রথম ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও হতাশ করেন তিনি। ৯ বল খেলে মাত্র ২ রান করে রুবেল হোসেনের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পা দেন তিনি। আগের ম্যাচে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ৬ রান।

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় কয়েকজন ক্রিকেটারের মধ্যে আফিফ হোসেনকে একজন হিসেবে মনে করা হয়। সেই আফিফও আগের ম্যাচের মতো এ ম্যাচে নিরাশ করেন সমর্থকদের। তিনি বিদায় নেন ১২ রান করে, আগের ম্যাচে আফিফ করেছিলেন ৬ রান। আফিফের পর অন্য ওপেনার উইল জ্যাকস আউট হন ব্যক্তিগত ৪১ রানে। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ৪৪ রানের জুটি গড়েন সাব্বির রহমান। মেহেদী ২৫ বলে ২৫ রান করে ঢাকার অধিনায়ক মাহমুদউল্লার শিকারে পরিণত হলেও সাব্বির খেলছিলেন নিজের হারানো স্টাইলে। মিরাজের পর বেনি হাওয়েল সঙ্গ দেন তাকে। ১৭ বলে ২৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরেন তিনি। তাকে সাজঘরে পাঠানোর নায়ক রুবেল হোসেন। রুবেল নেন শামিম হোসেনের উইকেটও।

সাব্বির-মিরাজরা উইকেটে থাকার সময় চট্টগ্রামের বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা থাকলেও ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। বাকিটা সময় বেনি হাওয়েল ছাড়া আর কেউই নিজের সেরাটা দিতে পারেননি। ফলে বড় স্কোরের সম্ভাবনা থাকলেও ১৬১ রানে শেষ হয় চট্টগ্রামের ইনিংস। বেনি হাওয়েল ৩৭ ও নাসুম ৮ রান করেন। রুবেল ছাড়া ঢাকার হয়ে একটি করে উইকেট নেন আরাফাত সানি, ইসুরু উদানা, শুভাগত হোম ও মাহমুদউল্লাহ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.