রোনালদোকে ঘরে ফেরাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ!

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে নয় বছরের বন্ধন ছিন্ন করে য়্যুভেন্তাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এরপর শেষমেশ ঠিকানা বানিয়েছেন পুরনো ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে।

0 33

 কিন্তু ইউনাইটেডের নতুন কোচ হিসেবে রাংনিকের নিয়োগ রোনালদোর আবারও দল ত্যাগের কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, ম্যানইউতে নোঙর করার আগে এবং পরেও রোনালদোর ক্লাব ছাড়া নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। তারই মধ্যে এবার পাওয়া গেল নতুন খবর।

ফুটবল ইনসাইডারের বরাত দিয়ে গোল ডটকম জানিয়েছে, পর্তুগিজ এই রাজপুত্রকে ঘরে ফেরাতে পাখির চোখ রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

সদ্য পদচ্যুত ওলে গানার সোলশায়ারের অধীনে ম্যানচেস্টারের টানা ব্যর্থতার পর কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয় আধুনিক ফুটবল কোচিংয়ের ‘গডফাদার’ হিসেবে পরিচিত রালফ রাংনিককে। আর তারপরই ইংলিশ ক্লাবটিতে রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির দুর্দশা কাটাতে অনেক আশা নিয়ে রোনালদোকে ফিরিয়েছিল ম্যান ইউনাইটেড। আশায় বুক বেঁধে ফিরেছেন রোনালদো নিজেও। কিন্তু প্রত্যাবর্তনটা ততটা মসৃন হয়নি। নতুন ক্লাবের হয়ে এ মৌসুমে ১৫ ম্যাচে ১০ গোল করেছেন। এছাড়া ম্যান ইউর সাবেক কোচ ওলে গানার সোলশায়ারের অধীনে অধিকাংশ ম্যাচেই অখুশি দেখা গেছে রোনালদোকে।

সম্প্রতি চেলসির বিপক্ষে ম্যাচে রোনালদোকে বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছিলেন ভারপ্রাপ্ত কোচ মাইকেল চ্যারিক। আর এরপর সাবেক ডিফেন্ডার গ্যারি নেভিল তো বলেই ফেলেন, চ্যারিকের এমন বিস্ফোরক সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারেন রাংনিক।

এদিকে, রাংনিকের অধীনে দলের খেলার ধরন যে বদলে যাবে এটা নিশ্চিত। কারণ জার্মান ফুটবলে যে ক্লাবেরই দায়িত্বে ছিলেন, সেখানেই নিজের ধারণা প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সব খানে দেখা গেছে, তার দলগুলো দ্রুতগতির ফুটবল খেলে থাকে।

এদিকে, রোনালদোর বয়স এখন ৩৬। রক্ষণে সাহায্য করে তার পক্ষে আক্রমণে ওঠা প্রায় অসম্ভব। এছাড়া পরিসংখ্যানও বলছে, প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা তথা প্রেসিংয়ে সবার শেষে অবস্থান তার।

আর রাংনিকের অধীনে যদি এমনটা হয়, তাহলে হয়ত তাকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখার আগে দুইবার ভাববেন না এই গডফাদার খ্যাত কোচ। এছাড়া ফুটবলপ্রেমীদের এ কথা অবশ্যই মনে থাকার কথা, আরও ৬ বছর আগেই রোনালদোকে ‘বুড়ো’ বলেছিলেন রাংনিক!

আর তাই বর্তমান ক্লাবটির সঙ্গে খুব বেশিদিন যে তিনি থাকতে পারছেন না সেটির আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সেটি মাথায় রেখেই পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে রিয়াল। সুযোগ বুঝে প্রিয় খেলোয়াড়কে ফেরাতে মরিয়া তারা। 

Leave A Reply

Your email address will not be published.