ছুটির দিনে বইমেলায় দর্শনার্থীদের ভিড়

সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আজ। তাই চতুর্থ দিনেই সকাল সকাল দেখা মিলেছে সিংহভাগ বইপ্রেমীদের। করোনার কারণে গত বছরের মতো এ বছরও আপাতত থাকছে না শিশু প্রহর। তাই শিশুরা এসে কিছুটা হতাশ হলেও আবার তাদের পছন্দের বই ঘুরে ঘুরে দেখছে, মন ভালো করছে।

0 14,099

শুক্রবার সকাল ১১টায় বইমেলার দ্বার উন্মোচিত হলেও তার আগে থেকেই পাঠক দর্শনার্থীদের মেলা প্রাঙ্গণের আশপাশে দেখা যায়। এ ছাড়া আজ মেলায় থাকবে আরও বিশেষ কিছু আয়োজন।


লেখকরা লেখক মঞ্চে পাঠকদের সঙ্গে তাদের বই পরিচয় করিয়ে দেবে।  ইতোমধ্যে বেশির ভাগ স্টল প্যাভিলিয়নগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে এবং ক্রমেই আনা গোনা বাড়ছে পাঠক দর্শনার্থীদের। ।

বিকেলের মধ্যে মেলা প্রাঙ্গণ লেখক পাঠকে কানায় কানায় ভরে যাবেই বলেই প্রত্যাশা সবার।

এর আগে মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। মঙ্গলবার বিকেলে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বইমেলা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩৮তম এ বইমেলা চলবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য- ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’।

ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে বইমেলা শুরু হওয়ার রীতি থাকলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এবার বইমেলা শুরু হয়েছে মাসের মাঝামাঝিতে।
 
এবার মেলায় মোট ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৬ ইউনিট স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০২টি প্রতিষ্ঠানের জন্য রয়েছে ১৪২টি স্টল। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪৩২টি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে ৬৩৪টি স্টল। প্যাভিলিয়ন রয়েছে ৩৫টি। উদ্যান অংশে পুরো মেলায় প্যাভিলিয়নগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত বছর প্যাভিলিয়ন শুধু স্বাধীনতাস্তম্ভের সামনে রাখায় সমালোচনা হয়েছিল।
Leave A Reply

Your email address will not be published.