আসামির মৃত্যু, পুলিশ বলছে ‘আত্মহত্যা’, পরিবারের দাবি ‘হত্যা’

সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে মাদক মামলায় আটক বাবুল সরদারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের দু’সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

0 633

শনিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে কোনো এক সময় গলায় নিজের কোমরে ব্যবহৃত সুতালি (রশি) লকআপের গেটের গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে বলে পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এদিকে, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গতকাল দুপুরে বাবুল সরদার নামে ওই ব্যক্তিকে তার গ্রামের বাড়ি দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর থেকে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করে এসআই মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় রাতেই দেবহাটা থানায় একটি মাদকের মামলা হয়েছে বাবুলের বিরুদ্ধে। রাত ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে কোনো এক সময় গলায় নিজের কোমরে ব্যবহৃত সুতালি (রশি) লকআপের গেটের গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও চিকিৎসকের উপস্থিতিতে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্ত করা হয়। নিহত বাবুলের বিরুদ্ধে চারটি মাদকের মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই শেখ সোহেল ও কনস্টেবল শরিফুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

যদিও নিহতের মেয়ে সুলতানা সুন্নির দাবি, গোয়েন্দা পুলিশ তাদের বাড়ি থেকে ৩৫ হাজার টাকাসহ তার বাবাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে গোয়েন্দা পুলিশ তার বাবাকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আসাদুজ্জামান বলেন, নিহত মাদক ব্যবসায়ীর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই সোহেল রানা বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে বলেও জানান তিনি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.