মোঃমহিউদ্দিন,বাঘাইছড়ি,প্রতিনিধিঃ-১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মিছিলে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর নির্দেশে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান সালাম, রফিক,জব্বার, বরকত, শফিউরসহ নাম না জানা অনেকে।

মায়ের ভাষার অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তানি শাসকদের বুলেটের সামনে প্রাণ দিয়েছিলেন যে সূর্যসন্তানরা, পুরো জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছে তাদের। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি পেয়েছিল ভাষার অধিকার, একুশের প্রথম প্রহরে সেই সব শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধায় ভরে ওঠে বাঘাইছড়ি উপজেলার শহীদ মিনার।

একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ,উপজেলা প্রশাসন,মুক্তিযুদ্ধা সংসদ,পৌরসভা,সহকারী পুলিশ সুপার,বাঘাইছড়ি থানা,আনসার ব্যাটালিয়ন,আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন,উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে,মারিশ্যা বিদ্যুৎ অফিস, জাতীয়তাবাদী দল,পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ।

পরে সকাল ১০ টায় উপজেলা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে, এতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা, বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম, পৌর মেয়র জাফর আলী খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাগরিকা চাকমা,কাচালং সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ দেওয়ান,অফিসার ইনচার্জ বাঘাইছড়ি, আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলী হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগন ।

খালি পায়ে প্রভাতফেরির মিছিলে সবার কণ্ঠে শোনা যায় অমর সেই গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।

প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ছুটির এ দিনে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি ও বেসরকারি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।ধিঃ-

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মিছিলে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর নির্দেশে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান সালাম, রফিক,জব্বার, বরকত, শফিউরসহ নাম না জানা অনেকে।

মায়ের ভাষার অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তানি শাসকদের বুলেটের সামনে প্রাণ দিয়েছিলেন যে সূর্যসন্তানরা, পুরো জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছে তাদের। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি পেয়েছিল ভাষার অধিকার, একুশের প্রথম প্রহরে সেই সব শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধায় ভরে ওঠে বাঘাইছড়ি উপজেলার শহীদ মিনার।

একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ,উপজেলা প্রশাসন,মুক্তিযুদ্ধা সংসদ,পৌরসভা,সহকারী পুলিশ সুপার,বাঘাইছড়ি থানা,আনসার ব্যাটালিয়ন,আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন,উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে,মারিশ্যা বিদ্যুৎ অফিস, জাতীয়তাবাদী দল,পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ।

পরে সকাল ১০ টায় উপজেলা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে, এতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা, বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম, পৌর মেয়র জাফর আলী খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাগরিকা চাকমা,কাচালং সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ দেওয়ান,অফিসার ইনচার্জ বাঘাইছড়ি, আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলী হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগন ।

খালি পায়ে প্রভাতফেরির মিছিলে সবার কণ্ঠে শোনা যায় অমর সেই গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।

প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ছুটির এ দিনে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি ও বেসরকারি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here