আগামী শুক্রবারই খুলে দেওয়া হচ্ছে চট্টগ্রামে বহুল আকাঙ্ক্ষিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের দ্বিতীয় চ্যানেল। ফলে কর্ণফুলীর তলদেশ দিয়ে যান চলাচলে আর কোনো বাধা থাকছে না।

এমনকি নির্ধারিত সময়ের বহু আগেই প্রকল্পের উদ্বোধন হবে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) একনেক সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

সভায় কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির জন্য বিরক্ত প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবসরে গেলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে গাফিলতির শাস্তি থেকে রেহাই পাবেন না কোনো কর্মকর্তা।
পানির বুক ভেদ করে সুড়ঙ্গ পথ বা টানেল। দেশে প্রথম কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি নির্মাণ শুরু হয় দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক চার তিন কিলোমিটারের স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের। এ সুড়ঙ্গটি নির্মাণের ফলে এ নদীর দুই তীরের অঞ্চলকে সংযুক্ত করবে। যুক্ত হবে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কও।
 
টানেলের নির্মাণকাজ শেষ হলে ৪ লেন দিয়ে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চলাচল করতে পারবে। সহজ হবে শিল্প নগরী চট্টগ্রামসহ কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, বান্দরবানের যোগাযোগ ব্যবস্থা। এছাড়া, মিয়ানমার হয়ে প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়াসহ ৭টি লক্ষ্য নিয়ে চলছে নির্মাণকাজ।
 
মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ-একনেক সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের দ্বিতীয় চ্যানেলের মুখ খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। পরে, একনেক সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, শুক্রবারই খুলে দেওয়া হবে টানেলের দ্বিতীয় চ্যানেল।
 
২০২২ সালের মধ্যে ১০ হাজার ৩শ ৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণকাজ সমাপ্তের পরিকল্পনা রয়েছে।
 
মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠকে সভাপতিত্বে করেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here