টি-২০’তে দেশের সবচেয়ে সফল ক্রিকেটার। বিশ্ব র‌্যাংকিংয়েও থাকে তার দাপট। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ পরিকল্পনার বড় অংশ জুড়ে আছেন সাকিব আল হাসান। টাইগারদের হয়ে টি-২০’র প্রতিটি বিশ্ব আসরে অংশ নিয়েছেন মিস্টার অলরাউন্ডার। এবারও তিনি দলের জন্য এক্স ফ্যাক্টর।

ঝড়ের আগে চারিদিক যেমন থমথমে থাকে, সাকিব আল হাসানও দিচ্ছেন তেমনই ইঙ্গিত। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ সিরিজ জিতলেও, স্বরূপে ছিলেন না সাকিব। আইপিএলেও পাচ্ছেন না পর্যাপ্ত গেম টাইম। দ্বিতীয় পর্বে খেলেছেন মাত্র এক ম্যাচ। এসবই যে মনে করিয়ে দিচ্ছে ২০১৯ বিশ্বকাপের কথা।


সেবারও আইপিএলে ম্যাচ পাননি। কিন্তু ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে এরপর যে কীর্তি গড়েছেন তা সহজে কি ভোলা যায়! বিশ্বকাপ আসলেই সাকিব অবতীর্ণ হন ভিন্ন রূপে।

কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল সাকিব আল হাসান। খেলেছেন সর্বোচ্চ ২৫ ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই রান-উইকেটেও অন্য সতীর্থদের চেয়ে এগিয়ে মিস্টার অলরাউন্ডার।

সাকিবের ক্যারিয়ার গড় যেখানে ২৩ এর কাছাকাছি, বিশ্বকাপে সেটা ২৯। ক্যারিয়ার স্ট্রাইক রেট ১২১, আর বিশ্বকাপে ১২৯। ক্যারিয়ার সেরা ৮৪ রানও করেছেন বিশ্বকাপেই।

বল হাতেও বিশ্বকাপে সাকিবের গড়-ইকোনমি ক্যারিয়ারের চেয়ে ভালো। ২৫ ম্যাচে ১৯.৫৩ গড়ে নিয়েছেন ৩০ উইকেট। ইকোনমি ৬.৬৪। এ পরিসংখ্যানগুলোই বলে দেয় বিশ্বকাপে সাকিবের কাছ থেকে ভালো কিছু প্রত্যাশা করাই যায়।

সাকিবের বিশ্বকাপ রেকর্ড ঈর্ষণীয়। এবার তাকে হাতছানি দিচ্ছে বেশ কিছু ব্যক্তিগত রেকর্ডও। ১০ উইকেট পেলেই শহীদ আফ্রিদিকে টপকে হয়ে যাবেন বিশ্বকাপের শীর্ষ উইকেট শিকারি। আর দল যদি স্বপ্নের ফাইনালে যায় তাহলে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডটাও নিজের করে নিবেন টাইগারদের বিশ্বসেরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here