বিশ্বমানের সেবা দিতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর যখন প্রস্তুত হচ্ছে, সে সময়ও বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীরা অহরহ হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা পড়ছেন নানা ভোগান্তিতে।

গণশুনানিতে উঠে আসা এমন অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধান দিতে উপস্থিত ছিলেন সব পর্যায়ের কর্মকর্তারা। তবে অভিযোগের কোনো উত্তর ছিল না কারো কাছে।

 
করোনাকালে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় শুরু হয়েছে বিমান চলাচল। তবে দানা বেঁধেছে নানা জটিলতা।
 
যাত্রীদের নানা ভোগান্তির বিষয়ে জানতে সোমবার বিমানবন্দর প্রাঙ্গণে গণশুনানির আয়োজন করে বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন জটিলতার কথা কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরেন বিমানবন্দরে উপস্থিত যাত্রীরা। এক্ষেত্রে অনেকটা কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেড়িয়ে আসার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
 
যাত্রীদের প্রশ্নের উত্তর এবং সমাধান দিতে উপস্থিত ছিলেন বেবিচকের চেয়ারম্যান, সরকারি বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা। তারা কিছু সমস্যা যুক্তি দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করলেও কোন কোন অভিযোগের উত্তর ছিলোনা কর্তৃপক্ষের কাছে।
 
তারা বলেন, কেউ লেনদেনের মাধ্যমে অতিরিক্ত সুবিধা দেবে সে সুযোগ আমরা কাউকে দেব না। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে আমরা দ্রুত তার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেব।
 
আরটি-পিসিআর টেস্ট করে বিদেশগামীদের জন্য অন্তত ৮ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরের উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করে কর্তৃপক্ষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here