ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জেতার পর বাংলাদেশের লক্ষ্য এবার আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখা।

তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কন্ডিশন আর বাংলাদেশের কন্ডিশন যে এক নয়, সেটাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন ক্রিকেটবোদ্ধারা। এছাড়া সদ্য সমাপ্ত দুই সিরিজে মিরপুরের পিচ নিয়েও কম সমালোচনা হয়নি। তবে সেসব সমালোচনায় কান দিতে চান না বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।


সাকিব বলেন, বিশ্বকাপের আগে নিজেদের প্রস্তুত করার এখনো অনেক সময় পাচ্ছি আমরা। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পর বিশ্বকাপের মঞ্চেও জয়ের মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

জানা গেছে, বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ারে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচের দুই সপ্তাহ আগেই ওমানে বিশ্বকাপ ক্যাম্পেইনে অংশ নেবে টিম টাইগার্স। সেসময় সাকিব-মুস্তাফিজ সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যস্ত থাকবেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল)।

নিজেদের আইপিএল খেলা প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, নিঃসন্দেহে এটা দলের জন্যই ভালো হবে। কারণ আমি আর মুস্তাফিজ বিশ্বকাপের ভেন্যুতেই অন্য দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে আইপিএল খেলবো। আর তাই বিশ্বকাপে আমাদের প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের মানসিকতা সম্পর্কেও ধারণা পাবো। আর যেটা দলের সঙ্গে শেয়ার করতে পারব।


এছাড়া বিশ্বকাপের কন্ডিশন সম্পর্কে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার বলেন, বিশ্বকাপের ১৫-১৬ দিন আগেই ওমানে যাবে দল। আর তাই সেখানকার কন্ডিশন সম্পর্কে ধারণা নেওয়ারও যথেষ্ট সময় পাওয়া যাবে।

এর আগে ঘরের মাঠে ব্যাটসম্যানদের রান না পাওয়া নিয়ে সাকিব বলেন, ‘এ রকম উইকেটে কোনো ব্যাটসম্যান ১০-১৫টা ম্যাচ খেললে তার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে। এটা হিসাব না করি আমরা। যারা দলে আছে, সবাই দেশকে জেতানোর সামর্থ্য রাখে। যার যার জায়গা থেকে সবাই শতভাগ চেষ্টা করছে।’ 

সাকিব আরও বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি খুবই ভালো হয়েছে। এর বড় কারণ হচ্ছে গত তিনটা সিরিজ আমরা জিততে পেরেছি। হয়তো পিচ, উইকেট, লো স্কোর নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু জয়ের কোনো বিকল্প নেই। একটা দল যখন জিততে থাকে, জয়ের মানসিকতা থাকে, তা অন্য পর্যায়ের আত্মবিশ্বাস দেয়। আপনি অনেক ভালো খেলে ম্যাচ হারলে এই আত্মবিশ্বাস থাকবে না। এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমরা বিশ্বকাপে যেতে চাই।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here