প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।

 তিনি বলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধ চায় না। তবে বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করার সব ধরণের সক্ষমতা সশস্ত্র বাহিনীর থাকতে হবে।

রোববার (০৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নৌ ও বিমান বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদের সভায় এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। তিনি জানান, যোগ্য ও দক্ষ কর্মকর্তারা যাতে অবহেলিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের।
সশস্ত্র বাহিনীর দুই বিশেষ উইং নৌ ও বিমান বাহিনী। এই বাহিনীগুলোতে ঊচ্চতর পদে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করে থাকে নৌ ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ। বাহিনী প্রধানদের নেতৃত্বে নীতিনির্ধারণী এ বোর্ড চূড়ান্ত করে কারা আসবেন সম্মুখসারির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে।
বরাবরের মতো এই দু্ই বাহিনীর কর্মকর্তা পদায়নে গুরুত্বপূর্ণ এই সভাটি এবারও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকালে বাহিনীগুলোর সদর দপ্তরে আয়োজিত এই সভায় গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত এই পর্ষদ বাহিনীর ভবিষ্যৎ জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য যোগ্য ও দক্ষ অফিসারদের পদোন্নতির সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
সরকার প্রধান বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঝুঁকি মোকাবিলা করে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যোগ্য করে গড়ে উঠতে হবে নৌ ও বিমান বাহিনীকে। জানান, যোগ্য কর্মকর্তারা যাতে অবহেলিত না হয়।
বাংলাদেশ সবসময় শান্তির পক্ষে উল্লেখ করে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের বহিঃশত্রুর যে কোনো আক্রমণ প্রতিহত করার দক্ষতা অর্জনের তাগিদ দেন শেখ হাসিনা।
নৌ ও বিমান বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে এ বৈঠকে সংযুক্ত ছিলেন বাহিনীর ঊধর্বতন নীতিনির্ধারণী কর্মকর্তারা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্বেও দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকলে উন্নয়ন সম্ভব তার প্রমাণ পদ্মাসেতুসহ বিভিন্ন প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here