ভারতের সঙ্গে এয়ারবাবল চুক্তির আওতায় আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল শুরু হবে। শনিবার (২৮ আগস্ট) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ভারতের সঙ্গে ফ্লাইট চলাচলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বেবিচকের একটি সূত্র জানায়, বাংলাদেশকে এয়ারবাবল চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিল ভারত। এর অধীনে বেবিচক তাদেরকে একটি চিঠি পাঠায়। সেই চিঠির উত্তরে ভারত ফ্লাইট পরিচালনার তারিখ ঘোষণা করে।


বেবিচক জানায়, এতে দুই দেশের যাত্রীরা বাংলাদেশ বা ভারতে অবতরণের পর তৃতীয় কোনো দেশে যেতে পারবে না।

দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর গত ১৪ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিত করা হয়। ১৬ দিন বন্ধ থাকার পর ১ মে থেকে ভারতসহ ১২টি দেশ বাদ দিয়ে আবার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।

পরে গত ৪ আগস্ট বেবিচক সীমিত পরিসরে ফ্লাইট শুরুর জন্য ভারতকে চিঠি দেয়। ‘এয়ারবাবল’ চুক্তির আওতায় গত বছর ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রথম ফ্লাইট শুরু হয়।

এর আগে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২২ আগস্ট থেকে ভারতে সঙ্গে ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিল। বিমান প্রাথমিকভাবে প্রতি রোববার ও বুধবার ঢাকা-দিল্লি-ঢাকা রুটে দুটি ফ্লাইট এবং রোববার ও মঙ্গলবার ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা রুটে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করার পরিকল্পনা করেছিল।

কিন্তু পরে তা বাতিল হয়ে যায়। এরপর আবারও শুরু হয় তোড়জোর। যার প্রেক্ষিতে আগামি ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ‘এয়ার বাবল’ চুক্তির আওতায় বিমান চলাচলের শুরু হওয়ার কথা জানায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

ওই সময়, ভারতে ভ্রমণের জন্য টিকিট কিনতে যাত্রীদের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে উল্লেখ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কতৃপক্ষ বলেছিল, ‘যাত্রীকে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ব্যবহার করে একটি রিপোর্টিং ফর্ম পূরণ করতে হবে। তারপর দিল্লি বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আরেকটি নিবন্ধন, ফ্লাইটে ওঠার ৭২ ঘণ্টা আগে কোভিড-১৯ পরীক্ষা এবং একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে পরীক্ষার রিপোর্ট আপলোড করতে হবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here