দলবদলের বাজারে এক মৌসুমেই এত উত্তাপ এর আগে কখনো ছড়িয়েছে কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। প্রথমে লিওনেল মেসির পিএসজিতে অবাক করা ট্রান্সফার। এরপর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন। সব মিলিয়ে চলতি মৌসুম যেন চমকের পসরা সাজিয়ে বসেছে।

ইউরোপে এবার দলবদলে মৌসুমসেরার স্বীকৃতি হয়তো পিএসজিই পাবে। তবে পিএসজির সঙ্গে দলবদলে সেরার দৌড়ে যদি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামার মতো কোনো দল থেকে থাকে, সেটি সম্ভবত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডই।

জেডন সাঞ্চো ও রাফায়েল ভারানকে দলে টানায় ইউনাইটেডের শক্তি এমনিতেই বেড়ে যায় বহুগুণে। এরপর শুক্রবার (২৭ আগস্ট) ঘরের ছেলে ঘরে ফেরায় সেটি ‘স্বপ্নের মতো’ হয়ে গেল।

রোনালদো ইউনাইটেডে ফেরার পর এখন সব জল্পনা-কল্পনা ইউনাইটেডের একাদশ কেমন হতে পারে তা নিয়ে।

৪-২-৩-১ হোক বা ৪-৩-৩, ছক যাই হোক, ইউনাইটেডের একাদশে রোনালদো যে সরাসরিই ঢুকে যাবেন, তা নিয়ে সংশয় নেই। প্রশ্ন হলো, তাকে জায়গা দিতে বাদ পড়বেন কে? রোনালদোকে মূল স্ট্রাইকার হিসেবে নাকি বাঁ দিকের উইংয়ে, কোথায় খেলাবেন সোলশার?

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন, বয়স ৩৬ পেরিয়ে যাওয়া রোনালদোকে আর উইংয়ে খেলানোর ঝুঁকি নেবেন না ম্যানইউ কোচ। আর রোনালদোর মতো গোলশিকারি এই মুহূর্তে ইউনাইটেডে কে আছে? বিশ্বেই বা এমন আর কজন আছেন? সে কারণে রোনালদোকে মূল স্ট্রাইকার হিসেবে খেলানো হতে পারে, এমন আলোচনাই বেশি।

সে ক্ষেত্রে পগবাকে মধ্যমাঠে ফ্রেদ বা ম্যাকটমিনের সঙ্গে জুটি গড়ার কাজ দিতে পারেন ওলে গানার সোলশার। তাদের সঙ্গে ব্রুনো ফার্নান্দেজ থাকবেন আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে। ফিটনেস নিয়ে শঙ্কা না থাকলে দুই উইংয়ে সাঞ্চো আর রাশফোর্ডই থাকবেন, এমনই শোনা যাচ্ছে। রক্ষণে ভারান ফিরলে হয়তো তাকে জায়গা দিতে সরে যেতে হতে পারে লিন্দেলফকে।

রোনালদোকে নিয়ে তাই ইউনাইটেডের সম্ভাব্য একাদশ হতে পারে ৪-৩-৩ ছকে। দে হেয়া (গোলকিপার); ওয়ান-বিসাকা, ভারান, ম্যাগুয়ার, শ (রক্ষণ); ফ্রেদ-পগবা-ফার্নান্দেজ (মধ্যমাঠ), সাঞ্চো-রাশফোর্ড ও রোনালদো (আক্রমণ)।

উল্লেখ্য, ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ইউনাইটেডের জার্সিতে আলো ছড়িয়ে রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে স্পেনের ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন রোনালদো। এরপর স্পেনের সফলতম দলটিকে বিদায় বলে ২০১৮ সালে পাড়ি জমিয়েছিলেন য়্যুভেন্তাসে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here