আগামী নভেম্বরের মধ্যে কোভ্যাক্সের আওতায় আরও সাত কোটি ডোজ টিকা দেশে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শনিবার (১৪ আগস্ট) সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ডা. মিল্টন হলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনায় এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সারাদেশে টিকা কার্যক্রম বেগবান করা হচ্ছে। আপনারা মাস্ক পরবেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবেন। জীবন-জীবিকার তাগিদে সব খুলে দেওয়া হলেও মনে রাখতে হবে জীবনের মূল্য অনেক বেশি।

বাংলাদেশের জন্য করোনার টিকার বড় উৎস হয়ে উঠছে বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স। এ উদ্যোগের আওতায় বাংলাদেশ করোনার টিকা পেতে যাচ্ছে।

কোভ্যাক্সের আওতায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ৮৯ লাখ টিকা পেয়েছে। সর্বশেষ চালান হিসেবে চীন সরকারের উপহারের আরও ১০ লাখ ডোজ টিকা ঢাকায় পৌঁছেছে। এ নিয়ে চীন সরকারের উপহারের ২১ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে।

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় টিকা বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার চীন থেকে কোভিড টিকা ও সিরিঞ্জ নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রাহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।


এর আগে গত ১২ মে বাংলাদেশকে ৫ লাখ টিকা উপহার দেয় চীন। ১৩ জুন চীনের দ্বিতীয় দফা উপহারের ছয় লাখ টিকা ঢাকায় আসে। আর শুক্রবার তৃতীয় দফায় এলো চীনা উপহারের ১০ লাখ টিকা। এ নিয়ে চীন সরাসরি উপহার হিসেবে বাংলাদেশকে ২১ লাখ টিকা দিল।

বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে সমভাবে করোনার টিকা বণ্টন নিশ্চিতের লক্ষ্যে ২০২০ সালের এপ্রিলে কোভ্যাক্স গঠিত হয়। এ পর্যন্ত ১৬৫টি দেশ কোভ্যাক্সের সদস্য হয়েছে। উন্নত দেশ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, ব্যক্তি ও ফাউন্ডেশনের অনুদানে টিকা সংগ্রহ করে কোভ্যাক্স।

ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর বাংলাদেশের সামনে এখন টিকার উৎস তিনটি।

১. চীনের কাছ থেকে কেনা। ২. কোভ্যাক্সের মাধ্যমে পাওয়া ও ৩. রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here