চীন সরকারের উপহারের আরও ১০ লাখ ডোজ টিকা ঢাকায় পৌঁছেছে। এ নিয়ে চীন সরকারের উপহারের ২১ লাখ ডোজ টিকা দেশে এলো।

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় টিকা বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার চীন থেকে কোভিড টিকা ও সিরিঞ্জ নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে সকালে চীনের তিয়ানজিন বিনহাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোভিড টিকা ও সিরিঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেয় বিমানটি। মোট ৫৭টি বাক্সে সিনোফার্মের ১০ লাখ ডোজ কোভিড টিকা ও ৩১৩ টি কার্টনে ৪.১ টন সিরিঞ্জ পরিবহন করা হয়। অবতরণের পর বিমানের পক্ষ থেকে সকল প্রকার গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সুবিধা প্রদান করে।

এছাড়াও শনিবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিমানের বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের আরেকটি চার্টার্ড ফ্লাইট কোভিড টিকা পরিবহন করতে ঢাকা থেকে চীনের তিয়ানজিন বিনহাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। চীন থেকে কোভিড টিকা ‍নিয়ে ফিরতি ফ্লাইটটি বাংলাদেশ সময় শনিবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার শিডিউল রয়েছে।

এর আগে গত ১২ মে বাংলাদেশকে ৫ লাখ টিকা উপহার দেয় চীন। ১৩ জুন চীনের দ্বিতীয় দফা উপহারের ছয় লাখ টিকা ঢাকায় আসে। আর শুক্রবার তৃতীয় দফায় এলো চীনা উপহারের ১০ লাখ টিকা। এ নিয়ে চীন সরাসরি উপহার হিসেবে বাংলাদেশকে ২১ লাখ টিকা দিল।

এর আগে সোমবার (৯ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছিলেন, ১৫ আগস্টের মধ্যে দেশে আরও ৫৪ লাখ টিকা আসবে। এর মধ্যে কোভ্যাক্স থেকে আরও ৩৪ লাখ এবং চীন থেকে কেনা ১০ লাখ টিকা ১৫ আগস্টের মধ্যে দেশে পৌঁছাবে। এছাড়া আরও ১০ লাখ টিকা চীন উপহার হিসেবে দেবে। মোট ৫৪ লাখ টিকা আসবে। পাশাপাশি চীন থেকে কেনা আরও ৫০ লাখ টিকা চলতি মাসে পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চীন থেকে সিনোফার্মের সাড়ে সাত কোটি ডোজ টিকা আসবে। চীনের সঙ্গে আমাদের দেড় কোটি ডোজ টিকার চুক্তি হয়েছে। এরই মধ্যে তারা টিকা পাঠানোও শুরু করেছে। আমরা চীন থেকে আরও ছয় কোটি ডোজ টিকার চুক্তি করব। ছয় কোটি ডোজ টিকার মধ্যে দুই কোটি ডোজ করে অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে আসবে। এর আগেও আসবে, তবে কিছুটা কম করে। আগস্টে কিছুটা কম টিকা আসবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here