চলমান কঠোর বিধিনিষেধের পর সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে খুলবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

সোমবার (০২ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দেশের একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, চলমান বিধিনিষেধ শেষ হলে নতুন করে যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে তাতে গণপরিবহন সীমিত পরিসরে চলার অনুমতি দেওয়া হতে পারে। এছাড়াও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরে খুলবে।

তবে লকডাউন শিথিলের আওতায় কী কী থাকবে তা জানতে মঙ্গলবার (০৩ আগস্ট) পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বেলা ১১টায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত থাকবেন ১২ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ১৬ জন সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, আইইডিসিআর পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ৫ আগস্টের পরও বিধিনিষেধ চলমান রাখার সিদ্ধান্ত আসতে পারে এ বৈঠকে। তবে বেশকিছু ক্ষেত্রে আসবে শিথিলতা। এর মধ্যে ১ আগস্ট থেকে শিল্পপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। ৬ আগস্ট থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস আদালত এবং দোকানপাট খুলে দেওয়া হতে পারে।

এর আগে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটি ৫ আগস্টের পরও বিধিনিষেধ বহাল রাখার সুপারিশ করে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদের এ বৈঠকের পর সুপারিশগুলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদনের পর বুধবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১ থেকে ৭ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরে তা ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ঈদুল আজহার কারণে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। পরে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ‘কঠোরতম বিধিনিষেধ’ জারি করে সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here