চাপে পড়েই ভারতীয় টিকা কোভিশিল্ডকে অনুমোদন দিল ইউরোপের আটটি দেশ। ভারতের টিকাকে অনুমোদন না দিলে ইউরোপের টিকার গ্রহণযোগ্যতাও অস্বীকার করার হুমকির পরই এই অনুমোদনের খবর এলো।

 

এর আগে ভারত বলেছিল, বিদেশ থেকে ভারতে আসা যাত্রীদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। সেই হুঁশিয়ারির পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় আনন্দবাজার পত্রিকা। 

কোভিশিল্ডকে অনুমোদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাতটি দেশ হল- জার্মানি, স্লোভেনিয়া, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড এবং স্পেন। এর আগে এই দেশগুলোতে যেতে হলে শুধুমাত্র ইউরোপীয় মেডিসিন এজেন্সির অনুমোদিত টিকা নিতে হত। এ বার কোভিশিল্ডও সেই তালিকাভুক্ত হল। 

এর আগে, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ড নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রিন পাসপোর্ট দেবে না বলে জানিয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। যদিও আগামী ১ জুলাই থেকে ইইউর চালু করতে যাওয়া ‘ভ্যাকসিন পাসপোর্ট’ এ বলা হয়েছে যারা কোভিড টিকার পূর্ণ ডোজ নিয়েছেন তারা বিনাবাধায় জোটভুক্ত দেশগুলোতে ভ্রমণ করতে পারবেন। 

সেই গ্রিন পাসের অনুমোদিত টিকার তালিকায় কোভ্যাক্সিন এবং কোভিশিল্ডকে রাখার কথা বলেছিল ভারত। বৃহস্পতিবার সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি টিকা কোভিশিল্ডকে ‘গ্রিন পাস’ এর অনুমোদিত টিকার তালিকায় রাখা হয়েছে। যদিও ভারতে তৈরি দ্বিতীয় টিকা কোভ্যাক্সিন নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে বিদেশে কোভ্যাক্সিনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি জানিয়েছিলেন, কোভ্যাক্সিন নিয়ে যে সমস্ত ছাত্র ছাত্রী বিদেশে পড়তে যাচ্ছেন, তাঁদের অসুবিধা হচ্ছে। অনেককে নিজের খরচে বিদেশে ১৫ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে ইউরোপের মেডিসিন এজেন্সির দ্বারস্থ হয় ভারত।
– Somoy

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here