ইউরো ২০২০-তে আরও এক মহারণের অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা। ২৯ জুন লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ জার্মানি।

বিশ্বফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী এই দুই দেশের দ্বৈরথ শুধু ফুটবল মাঠের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এই লড়াই মর্যাদার, আবেগের। ইংল্যান্ড ফুটবল দলের প্রসঙ্গ উঠলেই জার্মানরা যেমন ভুলতে পারেন না ১৯৬৬ বিশ্বকাপের সেই ফাইনাল। তেমনই ইংল্যান্ড সমর্থকদের মনে কাঁটার মতো বিঁধে রয়েছে ২০১০-এ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের ঘটনা।

৫৫ বছর আগে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের জেফ হার্স্টের শট ক্রসবারে লেগে নীচে পড়ে বেরিয়ে এসেছিল। জার্মানির দাবি ছিল, বল গোললাইন পেরিয়ে যায়নি। কিন্তু সহকারীর সঙ্গে আলোচনা করে রেফারি গোলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০১০ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের শট ক্রসবারে লেগে নীচে পড়ে গোললাইন পেরিয়ে গিয়েছিল। টেলিভিশন রিপ্লে-তে পরিষ্কার তা দেখা গিয়েছিল। কিন্তু লাইন্সম্যান গোল বাতিল করেন। সেই সময় ইংল্যান্ড ১-২ পিছিয়ে ছিল। ম্যাচটা জার্মানি ৪-১ জিতলেও ইংল্যান্ডের ফুটবলার থেকে সাধারণ সমর্থক- এখনও মনে করেন, অন্যায্য ভাবে ল্যাম্পার্ডের গোল বাতিল না হলে তাঁরা ম্যাচটা জিততেন!

বুধবার রাতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পরেই জার্মানির প্রতিপক্ষ কে, তা স্পষ্ট হয়ে যায়। ওয়াকিম লো হুঁশিয়ারির সুরে জানিয়ে দেন, আগামী সপ্তাহে ওয়েম্বলিতে অন্য ধাঁচের জার্মানির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে ইংল্যান্ডকে। তিনি বলেন, “আসল কথাটা হল আমরা পরের রাউন্ডে পৌঁছে গিয়েছি। খেলতে হবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এবং আগামীকাল থেকে সেই ম্যাচ নিয়েই শুরু হবে চিন্তাভাবনা।” যোগ করেন, “এই মুহূর্ত থেকে ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই হতে পারে না। আজ রাতে যে জার্মানি দলকে সকলে দেখলেন, তার চেয়ে সেই দলটা আলাদা হবে।” যদিও সেই মহারণে নিজের দেশকেই এগিয়ে রাখছেন রিয়ো ফার্ডিনান্ড। প্রাক্তন ইংল্যান্ড তারকা বলেছেন, “আমি আশাবাদী, জার্মানির বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড ভাল ফল করবে। এ বার ইংল্যান্ড দলকে অনেক বেশি লক্ষ্যে স্থির দেখাচ্ছে।” এক ধাপ এগিয়ে আর এক প্রাক্তন তারকা ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড জানিয়েছেন, নিভৃতবাস পর্ব শেষ হলে জার্মানি ম্যাচে কোচ গ্যারি সাউথগেটের ফেরানো উচিত মেসন মাউন্টকে। তাঁর ক্ষুরধার বুদ্ধি চাপে রাখবে
লো-এর দলকে। ইংল্যান্ড মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা জর্ডান হেন্ডারসন বৃহস্পতিবার বলেছেন, “এই ম্যাচ আমাদের কাছে বিশেষ ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কঠিন লড়াইয়ের জন্য আমরা প্রস্তুত।”

বুধবার রাতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পরেই জার্মানির প্রতিপক্ষ কে, তা স্পষ্ট হয়ে যায়। ওয়াকিম লো হুঁশিয়ারির সুরে জানিয়ে দেন, আগামী সপ্তাহে ওয়েম্বলিতে অন্য ধাঁচের জার্মানির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে ইংল্যান্ডকে। তিনি বলেন, “আসল কথাটা হল আমরা পরের রাউন্ডে পৌঁছে গিয়েছি। খেলতে হবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এবং আগামীকাল থেকে সেই ম্যাচ নিয়েই শুরু হবে চিন্তাভাবনা।” যোগ করেন, “এই মুহূর্ত থেকে ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই হতে পারে না। আজ রাতে যে জার্মানি দলকে সকলে দেখলেন, তার চেয়ে সেই দলটা আলাদা হবে।” যদিও সেই মহারণে নিজের দেশকেই এগিয়ে রাখছেন রিয়ো ফার্ডিনান্ড। প্রাক্তন ইংল্যান্ড তারকা বলেছেন, “আমি আশাবাদী, জার্মানির বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড ভাল ফল করবে। এ বার ইংল্যান্ড দলকে অনেক বেশি লক্ষ্যে স্থির দেখাচ্ছে।” এক ধাপ এগিয়ে আর এক প্রাক্তন তারকা ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড জানিয়েছেন, নিভৃতবাস পর্ব শেষ হলে জার্মানি ম্যাচে কোচ গ্যারি সাউথগেটের ফেরানো উচিত মেসন মাউন্টকে। তাঁর ক্ষুরধার বুদ্ধি চাপে রাখবে
লো-এর দলকে। ইংল্যান্ড মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা জর্ডান হেন্ডারসন বৃহস্পতিবার বলেছেন, “এই ম্যাচ আমাদের কাছে বিশেষ ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কঠিন লড়াইয়ের জন্য আমরা প্রস্তুত।”

তারই মধ্যে উদ্বেগ বাড়ল ইংল্যান্ড শিবিরে। বৃহস্পতিবার সকালে সেন্ট জর্জেস পার্কে রাহিম স্টার্লিংদের অনুশীলনে হাজির এক সাংবাদিকের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজ়িটিভ হয়। তখনই তাঁকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। জার্মানি শিবিরে অস্বস্তি রয়েছে থোমাস মুলারকে নিয়ে। চোটের কারণে হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে তিনি খেলেননি। ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে মুলারকে দ্রুত সুস্থ করে তোলার চেষ্টা চলছে।

  • Anandabazar

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here