আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সাংবাদিকদের স্বার্থবিরোধী কোনো কিছুই করবে না সরকার। শেখ হাসিনা সরকার সাংবাদিকবান্ধব বলেও উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, গণমাধ্যমের যে কোনো বিষয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত সহানুভূতিশীল।
বৃহস্পতিবার (২০ মে) বিকেলে তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

সাংবাদিকদের আবারও ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রাখুন।
সাংবাদিকদের সুখে দুঃখে এবং গঠনমূলক সাংবাদিকতার পথ অনুসরণে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে আছেন।
 

সাংবাদিকগণ পেশাগত কারণে বিভিন্নভাবে তথ্য সংগ্রহ করেন, তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী অপ্রকাশযোগ্য তথ্য ছাড়া অন্যান্য তথ্য সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, কিন্তু অভিজ্ঞ সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছেন তা সঠিক পদ্ধতি কিনা তা ভেবে দেখার বিষয় বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 

বুধবার (১৯ মে)  বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক এক পর্যায়ে নিজের ভুল স্বীকার করে মুখে মুচলেকা দেওয়ার কথাও বলেছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন চৌর্যবৃত্তি আর সাংবাদিকতাকে আমরা কি এক করে ফেলতে পারি? 

তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বের হওয়ার আগেই তার পক্ষে বা বিপক্ষে আন্দোলন কতটা যৌক্তিক, সেটাও সাংবাদিকদের ভেবে দেখার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। বলেন, একজন অন্যায় করলে ঢালাওভাবে সবাইতো সেজন্য দায়ী নন। সচিবালয়ে প্রতিদিন সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন এবং তথ্য সংগ্রহ করেন কিন্তু কেউ এভাবে লুকিয়ে ফাইলের ছবি তোলেন না বা নথি নিয়ে যায় না, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক নিজেও ভুল স্বীকার করছেন। 

আত্মস্বীকৃত একজনের ভুলের জন্য সাংবাদিক বন্ধুদের এমন অবস্থান গ্রহণ কেন? আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখেন। 

কেউই আইনের উর্ধ্বে নন, আইন সবার জন্য সমান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যেহেতু বিষয়টি তদন্তাধীন তাই এনিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। 

ইতিমধ্যে বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিবিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তদন্ত কাজে সরকার কোনোরূপ হস্তক্ষেপ করবে না বলেও জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 

বিএনপি কাল্পনিক অভিযোগ আনলেও প্রকৃতপক্ষে সরকার দমন পীড়নে বিশ্বাসী নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা প্রতিদিনই সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করে যাচ্ছেন। সেজন্যতো বিএনপির কোনো নেতাকে কোনো প্রকার হেনস্তা বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here