নীল এবং তৃণা।

 

২ দিন আগে থেকেই ইনস্টাগ্রামে জমিয়ে জন্মদিন পালন হচ্ছে নীল ভট্টাচার্যের। সৌজন্যে অভিনেতার ৬৫৫ হাজার অনুরাগী! জন্মদিনের আগের সন্ধ্যাবেলা তিনি কেক কেটেছেন অনাথ শিশুদের সঙ্গে। আর জন্মদিনের রাতে? মাঝরাতে ৪ রকমের কেক উপহার দিয়ে নীলকে চমকে দিয়েছেন স্ত্রী তৃণা সাহা!

আনন্দবাজার ডিজিটালের সঙ্গে সেই আনন্দ ভাগ করে নিলেন অভিনেতা। খুশিতে উচ্ছ্বল নীলের দাবি, “বিয়ের পর প্রথম জন্মদিন। তৃণা ২ হাত ভরে উপহার দিয়েছে আমায়। এছাড়া, বন্ধুরা তো আছেই। অনেকে যদিও আসতে পারবেন না। কিন্তু আমার পছন্দের সমস্ত রান্না করে বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।” কী উপহার দিলেন নতুন বৌ? নীলের কথায়, বড় টিভি সেট আর সাইকেল উপহার পেয়েছেন তৃণার থেকে। এছাড়াও, তিনি জন্মদিন উদযাপন করবেন আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেও। এমনটাই জানিয়েছেন অভিনেতা।

আর কী করলেন তৃণা? ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছুঁতেই নীলকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে সেই কেক কেটেছেন। অভিনেতাকে ঘিরে তখন তাঁর মা-বাবা, খুব কাছের ২-৩ জন বন্ধু। প্রতি বছরেই নীলের জন্মদিন ঘিরে হইচই হয়। ভাল-মন্দ খাওয়াদাওয়া থাকেই। এ বারে তৃণা সঙ্গে থাকায় তাতে বাড়তি উচ্ছ্বাস, স্বীকার করলেন অভিনেতা। যদিও অতিমারির কারণে বন্ধুদের মিস করছেন তিনি। তাই অন্য ভাবে জন্মদিন কাটাতে জি বাংলার ‘কৃষ্ণকলি’ ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্র ‘নিখিল’ এ বছর সমাজসেবাকেও জুড়ে নিয়েছেন। কী ভাবে? নীলের বক্তব্য, ‘‘গত কাল যে অনাথ আশ্রমে গিয়ে কেক কেটেছিলাম সেখানে আজও কিছু শিশু আসবে। জন্মদিনে আবার ওদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাব।’’ ইতিমধ্যেই ‘টিম কৃষ্ণকলি’ তাঁকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন।

এ ছাড়া, আবাসনের সমস্ত নিরাপত্তা রক্ষীকেও তাঁর জন্মদিনের আনন্দে সামিল করতে চলেছেন অভিনেতা। নীলের কথায়, ওঁরা সারা বছর দিন-রাত পাহারা দেন। সবাইকে নিরাপদে রাখেন। তাই ওঁরা আজ অভিনেতার অতিথি। কেক কাটার পাশাপাশি তাঁদেরও খাওয়াবেন তিনি। নিজে কী খাবেন? তৃণা তাঁর জন্য কী রান্না করছেন? ‘‘তৃণা সব সময় চমকে দিতে ভালবাসে। ফলে, খাওয়ার মেনু এখনও ফাঁস করেনি। তবে বাড়ি ভরে গিয়েছে লোভনীয় পদের গন্ধে’’, জানালেন অভিনেতা।বিশেষ দিনেনিষেধ ভুলে সব কিছুই চেটেপুটে খাবেন তিনি, দাবি নীলের।

আর ‘শ্যুট ফ্রম হোম’? তার কী হবে? মুঠোফোনেই আত্মসমপর্ণের ভঙ্গিতে নীল জানালেন, ‘‘আজ টিমের কাছে হাত তুলে দিয়েছি। বলেছি, এই একটা দিন কোনও কাজ করব না। শুধু আজকের দিনটা নিজের মতো করে উপভোগ করতে চাই।’’

সূত্রঃ আনন্দবাজার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here