ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এর মধ্য দিয়ে তিনি আড়াই দশকের পুরনো অঙ্গীকার পূরণ করেছেন। পাশাপাশি তুরস্কের সবচেয়ে বড় শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত তাকসিম স্কয়ারে ধর্মীয় পরিচয় চাপিয়ে দিয়েছেন।

মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের প্রতিষ্ঠিত তুর্কি প্রজাতন্ত্রের স্মৃতিস্বারক হিসেবে দেখা হতো তাকসিম স্কয়ার ও সেখানকার ৩০ মিটির উঁচু গম্বুজ। কিন্তু তার গোঁড়া ধর্মনিরপেক্ষ উত্তরাধিকার এরদোয়ানের গত দুই দশকের শাসনে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কয়েক হাজার মুসল্লির সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় শেষে এরদোয়ান বলেন, এই মসজিদের কাজ শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে তুরস্কের বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এরপর থেকে আর কখনো এখান থেকে আজান দেওয়া বন্ধ হবে না।

বছর চারেক আগে মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। এরদোগান বলেন, তখন এখানে নামাজের জন্য একটি কক্ষও ছিল না। মুসল্লিরা পত্রিকার পাতা বিছিয়ে নামাজ আদায় করতেন।

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে মসজিদের নির্মাণ কাজ ধরা হয়। টুইটার পোস্টে তুর্কিশ কর্মকর্তারা বলেন, ১৯৯৪ সালে ইস্তানবুলের মেয়র হওয়ার সময় তিনি এখানে একটি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এবার তিনি সেই মসজিদ উদ্বোধন করলেন।

যেসব স্থাপনা পরবর্তীতে এরদোগানের স্মৃতি হয়ে থাকবে, তার মধ্যে এই মসজিদটি অন্যতম।

দুই মিনারের মসজিদটিতে একসঙ্গে একসঙ্গে চার হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারবেন। সঙ্গে একটি প্রদর্শনী হল, গ্রন্থাগার, কার পার্ক ও স্যুপ কিচেনও রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here