সকাল থেকে ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি সেন্ট মার্টিনে চলছে জোয়ারের তাণ্ডব। আট বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দ্বীপের চারদিকের শতাধিক ঘরবাড়ি, দোকানপাট, হোটেল-রেস্তোরাঁ প্লাবিত হয়েছে। উপড়ে পড়েছে ৪০টির বেশি নারকেলগাছ।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, গত দুদিনের তিন দফার জলোচ্ছ্বাসে দ্বীপে ওঠানামার একমাত্র জেটিটি লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল ধরেছে। সেখানে লোকজনের যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জোয়ারের ধাক্কায় এ পর্যন্ত ৯টি মাছ ধরার ট্রলার ভেঙে গেছে। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে ২৩টি।ফেইসবুক থেকে সংগৃহীত

সেন্ট মার্টিন পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, আজ বৃহস্পতিবার রাতের জোয়ারেও সেন্ট মার্টিনের কিছু অংশ প্লাবিত হতে পারে। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। তবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনের সঙ্গে টেকনাফের (নৌপথে) যোগাযোগ বন্ধ আছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় গত সোমবার থেকে এই নৌপথে নৌযান চলাচল বন্ধ আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here